মেঘনাদবধ কাব্য কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

মেঘনাদবধ কাব্য কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর  পোস্টে আপনাকে স্বাগতম। মেঘনাদবধ কাব্য কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর খুজতেছেন? আজকের আর্টিকেল টি আপনাদের জন্য। আজকের আর্টিকেলে মেঘনাদবধ কাব্য কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর শেয়ার করা হবে। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

মেঘনাদবধ কাব্য কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন-১. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন-২. বাংলায় চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের প্রবর্তন করেন কে?
উত্তর: বাংলায় চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের প্রবর্তন করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

প্রশ্ন-৩. শর্মিষ্ঠা, পদ্মাবতী মধুসূদন দত্তের কোন ধরনের রচনা?
উত্তর: শর্মিষ্ঠা, পদ্মাবতী মধুসূদন দত্ত রচিত নাট্যগ্রন্থ।

প্রশ্ন-৪. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কত খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।

প্রশ্ন-৫. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোথায় মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

প্রশ্ন-৬. মাইকেল মধুসূদন দত্তের পিতার নাম কী?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্তের পিতার নাম রাজনারায়ণ দত্ত।

প্রশ্ন-৭. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কত খ্রিষ্টাব্দে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেন?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে খ্রিষ্টধর্ম গ্রহণ করেন।

প্রশ্ন-৮. অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে?
উত্তর: অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।

প্রশ্ন-৯. মাইকেল মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ কীর্তি কোনটি?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্তের শ্রেষ্ঠ কীর্তি ‘মেঘনাদবধ কাব্য’।

প্রশ্ন-১০. ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটকটির রচয়িতা কে?
উত্তর: ‘কৃষ্ণকুমারী’ নাটকটির রচয়িতা মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
প্রশ্ন-১১. কুম্ভকর্ণ কে?
উত্তর: কুম্ভকর্ণ হলেন রাবণের মধ্যম সহোদর।

প্রশ্ন-১২. রক্ষোরথি বলে সম্বোধন করা হয়েছে কাকে?
উত্তর: রক্ষোরথি বলে সম্বোধন করা হয়েছে বিভীষণকে।

প্রশ্ন-১৩. মেঘনাদ ক্ষুদ্রমতি নর বলেছেন কাকে?
উত্তর: মেঘনাদ ক্ষুদ্রমতি নর বলেছেন লক্ষ্মণকে।

প্রশ্ন-১৪. মেঘনাদ লক্ষ্মণকে কোথায় পাঠানোর কথা বলেন?
উত্তর: মেঘনাদ লক্ষ্মণকে শমন-ভবনে পাঠানোর কথা বলেন।

প্রশ্ন-১৫. বাসববিজয়ী বলা হয় কাকে?
উত্তর: বাসববিজয়ী বলা হয় মেঘনাদকে।

প্রশ্ন-১৬. বিভীষণ রাঘবদাস, একথা শুনে মেঘনাদের কী ইচ্ছে হয়?
উত্তর: বিভীষণ রাঘবদাস, একথা শুনে মেঘনাদের মরবার ইচ্ছা হয়।

প্রশ্ন-১৭. দেবকুল সতত কী হতে বিরত?
উত্তর: দেবকুল সতত পাপ হতে বিরত।

প্রশ্ন-১৮. রাবণের জ্যেষ্ঠ-পুত্রের নাম কী?
উত্তর: রাবণের জ্যেষ্ঠ-পুত্রের নাম মেঘনাদ।

প্রশ্ন-১৯. রাবণের কনিষ্ঠ সহোদরের নাম কী?
উত্তর: রাবণের কনিষ্ঠ সহোদরের নাম বিভীষণ।

প্রশ্ন-২০. রঘু বংশের শ্রেষ্ঠ সন্তান কে?
উত্তর: রঘু বংশের শ্রেষ্ঠ সন্তান রামচন্দ্র।

প্রশ্ন-২১, নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে মেঘনাদ কোন দেবতার পূজা করছিলেন?
উত্তর: নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে মেঘনাদ অগ্নিদেবতার পূজা করছিলেন।

প্রশ্ন-২২. ‘মৃগেন্দ্রকেশরী’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘মৃগেন্দ্রকেশরী’ শব্দের অর্থ- কেশরযুক্ত পশুরাজ সিংহ।

প্রশ্ন-২৩. ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ মোট কয়টি সর্গে বিন্যস্ত?
উত্তর: ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ মোট নয়টি সর্গে বিন্যস্ত।

প্রশ্ন-২৪. ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ ‘মেঘনাদবধ কাব্যের’ কোন সর্গ থেকে সংকলিত হয়েছে?
উত্তর: ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ ‘মেঘনাদবধ কাব্যের’ ষষ্ঠ সর্গ থেকে সংকলিত হয়েছে।

প্রশ্ন-২৫. ‘মেঘনাদবধ কাব্যের’ ষষ্ঠ সর্গের শিরোনাম কী?
উত্তর: ‘মেঘনাদবধ কাব্যের’ ষষ্ঠ সর্গের শিরোনাম হলো ‘বধো’ (বধ)।

প্রশ্ন-২৬. রামায়ণ-এর রচয়িতার নাম কী?
উত্তর: রামায়ণ-এর রচয়িতার নাম বাল্মীকি।
প্রশ্ন-27. ‘অরিন্দম’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
উত্তর: ‘অরিন্দম’ বলতে মেঘনাদকে বোঝানো হয়েছে।

প্রশ্ন-২৮. রাম-রাবণ যুদ্ধে কে স্বপক্ষ ত্যাগ করেছিলেন?
উত্তর: রাম-রাবণ যুদ্ধে বিভীষণ স্বপক্ষ ত্যাগ করেছিলেন।

প্রশ্ন-২৯. মাইকেল মধুসূদনের সাহিত্যের প্রধান সুর কী?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদনের সাহিত্যের প্রধান সুর দেশপ্রেম, স্বাধীনতার চেতনা এবং নারী জাগরণ।

প্রশ্ন-৩০. মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোন কোন ভাষায় শিক্ষা গ্রহণ করেছেন?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত গ্রিক, লাতিন ও হিব্রু ভাষায় শিক্ষা গ্রহণ করেছেন।

প্রশ্ন-৩১. মেঘনাদ কাকে চণ্ডাল বলেছেন?
উত্তর: মেঘনাদ লক্ষ্মণকে চণ্ডাল বলেছেন।

প্রশ্ন-৩২, মেঘনাদ রামকে কী বলে অভিহিত করেছেন?
উত্তর: মেঘনাদ রামকে অধম বলে অভিহিত করেছেন।

প্রশ্ন-৩৩. মেঘনাদের মতে, কে জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব ও জাতিত্ব বলি দিয়েছেন?
উত্তর: মেঘনাদের মতে, বিভীষণ জ্ঞাতিত্ব, ভ্রাতৃত্ব ও জাতিত্ব বলি দিয়েছেন।

প্রশ্ন-৩৪, শাস্ত্র মতে কোন ধরনের স্বজন শ্রেয়?
উত্তর: শাস্ত্র মতে গুণবান শত্রু অপেক্ষা গুণহীন স্বজন শ্রেয়।

প্রশ্ন-৩৫, কী শুনলে লঙ্কাপুরীর শিশুরাও হাসবে বলে মেঘনাদ মনে করেন?
উত্তর: অস্ত্রহীনকে যুদ্ধে আহ্বান করার কথা শুনলে লঙ্কাপুরীর শিশুরাও হাসবে বলে মেঘনাদ মনে করেন।

প্রশ্ন-৩৬. বিভীষণ লঙ্কাপুরীকে ‘কীসে পূর্ণ বলেছেন?
উত্তর: বিভীষণ লঙ্কাপুরীকে পাপে পূর্ণ বলেছেন। প্রশ্ন-৩৭. মেঘনাদের বাবার নাম কী? উত্তর: মেঘনাদের বাবার নাম রাবণ।

প্রশ্ন-৩৮. লক্ষ্মণ কার গর্ভজাত সন্তান।
উত্তর: লক্ষ্মণ সুমিত্রার গর্ভজাত সন্তান।

প্রশ্ন-৩৯, বিভীষণ লঙ্কার পরিণতির জন্যে কাকে দায়ী করেছেন?
উত্তর: বিভীষণ লঙ্কার পরিণতির জন্যে রাবণকে দায়ী করেছেন।

প্রশ্ন-৪০. মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যে বিশেষভাবে কীসের মিলন ঘটেছে?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যে বিশেষভাবে রোমান্টিকতা ও ধ্রুপদী সাহিত্যের আশ্চর্য মিলন ঘটেছে।

প্রশ্ন-৪১. বাংলা সাহিত্যে অক্ষরবৃত্ত ছন্দের নবরূপায়ণ কোনটি?
উত্তর: বাংলা সাহিত্যে অক্ষরবৃত্ত ছন্দের নবরূপায়ণ হলো ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ’।

প্রশ্ন-৪২. মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ছন্দকে কী বলা হয়?
উত্তর: মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ছন্দকে বলা হয় ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ’।

প্রশ্ন-৪৩. ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কবিতায় ‘তাত’ শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
উত্তর: ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কবিতায় ‘তাত’ শব্দটি পিতৃব্য বা চাচা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

প্রশ্ন-৪৪, ইন্দ্রের অপর নাম কী?
উত্তর: ইন্দ্রের অপর নাম — বাসব।

প্রশ্ন-৪৫. ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ কোন সাহিত্যকর্ম অবলম্বনে রচিত হয়েছে?
উত্তর: ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ মহাকবি বাল্মীকির রামায়ণ অবলম্বনে রচিত।

প্রশ্ন-৪৬. ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ কোন ধরনের মহাকাব্য?
উত্তর: ‘মেঘনাদবধ-কাব্য’ হলো পৌরাণিক কাহিনিনির্ভর মহাকাব্য।

প্রশ্ন-৪৭, মহারথীপ্রথা কী?
উত্তর: মহারথীপ্রথা হলো শ্রেষ্ঠ বীরদের আচরণ-প্রথা।

প্রশ্ন-৪৮. যুদ্ধযাত্রার প্রাক্কালে মেঘনাদ কোন পূজায় রত ছিলেন?
উত্তর: যুদ্ধযাত্রার প্রাক্কালে মেঘনাদ অগ্নিদেবের পূজায় রত ছিলেন।

প্রশ্ন-৪৯. ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কবিতায় পুকুর বা জলাশয়কে কী বলা হয়েছে?
উত্তর: ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কবিতায় পুকুর বা জলাশয়কে ‘শৈবালদলের ধাম’ বলা হয়েছে।

প্রশ্ন-৫০. লক্ষ্মণ কোন যজ্ঞাগারে প্রবেশ করেন?
উত্তর: লক্ষ্মণ নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রবেশ করেন।

প্রশ্ন-৫১. ‘নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ পরঃ পরঃ সদা’— এ উক্তিটি কার?
উত্তর: ‘নির্গুণ স্বজন শ্রেয়ঃ পরঃ পরঃ সদা’— উক্তিটি মেঘনাদের।

প্রশ্ন-৫২. কাকে রাবণি বলা হয়েছে?
উত্তর: মেঘনাদকে রাবণি বলা হয়েছে।

প্রশ্ন-৫৩. বিভীষণের মায়ের নাম কী?
উত্তর: বিভীষণের মায়ের নাম- নিকষা।

প্রশ্ন-৫৪, ‘স্থাণু’ অর্থ কী?
উত্তর: ‘স্থাণু’ অর্থ— নিশ্চল।

প্রশ্ন-৫৫, লক্ষ্মণের মায়ের নাম কী?
উত্তর: লক্ষ্মণের মায়ের নাম সুমিত্রা।
প্রশ্ন-৫৬; মাইকেল মধুসূদন দত্ত কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৭৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

প্রশ্ন-৫৭. মেঘনাদ কোথায় যজ্ঞ করতেন?
উত্তর: মেঘনাদ নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে যজ্ঞ করতেন।

প্রশ্ন-৫৮. ইন্দ্ৰজিৎ বলা হয় কাকে?
উত্তর: ইন্দ্রজিৎ বলা হয় মেঘনাদকে।

প্রশ্ন-৫৯. ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কবিতার প্রতিটি চরণের মাত্রা সংখ্যা কত?
উত্তর: ‘বিভীষণের প্রতি মেঘনাদ’ কবিতার প্রতিটি চরণের মাত্রা সংখ্যা ১৪।

প্রশ্ন-৬০. নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে মেঘনাদ কার পূজা করছিলেন?
উত্তর: নিকুম্ভিলা নামক যজ্ঞাগারে মেঘনাদ অগ্নিদেবের পূজা করছিলেন।

প্রশ্ন-৬১. রাক্ষসরাজানুজ বলা হয়েছে কাকে?
উত্তর: রাক্ষসরাজানুজ বলা হয়েছে বিভীষণকে।

প্রশ্ন-৬২. ‘এবে পাপপূর্ণ লঙ্কাপুরী’— এ উক্তিটি কে করেছেন?
উত্তর: ‘এবে পাপপূর্ণ লঙ্কাপুরী’— এ উক্তিটি করেছেন বিভীষণ।

প্রশ্ন-৬৩. রাবণ ও বিভীষণের সম্পর্ক কী?
উত্তর: রাবণ ও বিভীষণ পরস্পর সহোদর।

প্রশ্ন-৬৪, রাঘবদাস কে?
উত্তর: রাঘবদাস হলেন বিভীষণ।

প্রশ্ন-৬৫, রাজহংস কোথায় কেলি করে?
উত্তর: রাজহংস স্বচ্ছ সরোবরে কেলি করে।

প্রশ্ন-৬৬. ‘জীমূতেন্দ্ৰ’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তর: ‘জীমূতেন্দ্র’ শব্দের অর্থ মেঘের ডাক।

প্রশ্ন-৬৭, বিভীষণ মেঘনাদের কী হন?
উত্তর: বিভীষণ মেঘনাদের কাকা হন।

প্রশ্ন-৬৮, জ্ঞাতিত্ব জলাঞ্জলি দিয়েছেন কে?
উত্তর: জ্ঞাতিত্ব জলাঞ্জলি দিয়েছেন বিভীষণ।

প্রশ্ন-৬৯. মেঘনাদ কাকে শাস্তি দিতে চান?
উত্তর: মেঘনাদ লক্ষ্মণকে শাস্তি দিতে চান।

প্রশ্ন-৭০. মেঘনাদ কাকে ‘তাত’ বলে সম্বোধন করেছিলেন?
উত্তর: মেঘনাদ বিভীষণকে ‘তাত’ বলে সম্বোধন করেছিলেন।

মেঘনাদবধ কাব্য  কবিতার জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশা করি সবাই বুঝতে পেরেছেন। কেউ কিছু বুঝতে না পারলে কমেন্ট বক্সে জানাবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।
Visited 1 times, 1 visit(s) today